বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
আনোয়ার খান মর্ডান ইউনিভাসিটি ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটিতে ময়মনসিংহের কৃতি সন্তান মিজানুর রহমান নাহিদ যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত ময়মনসিংহ বিসিকে নাইটগার্ড কয়েল ফ্যাক্টরিতে অগ্নিকান্ড, অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধের আহবান সচেতন সমাজের তারেক রহমানের সমাবেশে বাংলাদেশ জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দের যোগদান ময়মনসিংহ -৮ আসনে প্রতীক বরাদ্দ পেলেন ৪ প্রার্থী দেশে ফিরেই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বললেন তারেক রহমান রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ২৪ হাজার কোটি টাকা বাড়াল সরকার জুলাইয়ে চানখারপুলে ৬ হত্যা মামলার রায় ২০ জানুয়ারি তারেক রহমানের ৩ দিনের কর্মসূচি জানালেন সালাহউদ্দিন আহমদ শরিকদের আরও ৮ আসন ছেড়ে দিল বিএনপি

তবুও নানামুখী চ্যালেঞ্জে ইসি

অনলাইন ডেক্স
  • প্রকাশিতঃ শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৪১ সময়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ ঘোষণা হয়ে গেছে। নির্বাচনী প্রশিক্ষণও শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ‘রাজনৈতিক কৌশল’ হিসেবে নিজেদের অবস্থানে কোনো কোনো দল অনড় থাকলেও ভেতরে ভেতরে অনেকেই নির্বাচনমুখী। এখন শুধু তপশিল ঘোষণার অপেক্ষা। তবুও নির্বাচন নিয়ে নানামুখী চ্যালেঞ্জ রয়েছে ইসির।

নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা জাতীয় নির্বাচনের জন্য একটি বড় ধরনের অগ্রগতি। নির্বাচনের অংশীজন, বিশেষ করে ভোটার, রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজ ইসির নির্বাচনকেন্দ্রিক এসব কাজের সময়সীমা সম্পর্কে জানতে পারছেন। তবে রোডম্যাপই শেষ কথা নয়। এখন পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন, চায়ের আড্ডায় নানা শঙ্কার কথা শোনা যায়। অনেকেই নির্বাচন নিয়ে এখনো নানা সন্দেহ পোষণ করছেন। পিআর ইস্যু, উচ্চকক্ষ, নিম্নকক্ষসহ নানা ইস্যুতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে সন্দেহের কথা জানাচ্ছেন কেউ কেউ। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ নানা বিষয় নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত। এসব ইস্যুর সমাধান করে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা ইসির সামনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে শুধু মোটাদাগে তিনটি নির্বাচন দেশ-বিদেশে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। বাকি সবকটি নির্বাচনই কোনো না কোনো কারণে বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেনি। সর্বশেষ তিনটি জাতীয় নির্বাচন মানুষের মনে দাগ কেটে আছে। এসব নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনও রয়েছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিরোধী দলবিহীন ‘একতরফা’ নির্বাচন, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর ‘রাতের ভোট’ এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ‘আমি আর ডামি’ নির্বাচন নিয়ে চরম বিতর্ক দেখা দেয়। শেষ দুটি নির্বাচন আয়োজন করার দায়ে সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা এবং কাজী হাবিবুল আউয়াল বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। শুধু তাই নয়, কেএম নূরুল হুদাকে ‘মব’ তৈরির পর আটক করা হয়। ওই সময় তার গলায় জুতার মালা পরিয়ে ভিডিও ধারণের ঘটনা ঘটে, যা নানা আলোচনার জন্ম দেয়। সেজন্য ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন এবং আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সাময়িক নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জে রয়েছে বর্তমান এএমএম নাসির উদ্দীন কমিশন।

এ নির্বাচন নিয়ে কোনো বিতর্ক দেখা দিলে সদ্য সাবেক সহকর্মীদের পরিণতি বরণ করতে হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে বর্তমান কমিশনের। নিজেদের বক্তৃতা ও আলোচনায় বারবার সে কথাটি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন সিইসিসহ অন্য কমিশনাররা। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ‘ইতিহাসের সেরা ভোট’ উপহার দেওয়ার প্রত্যয় রেখে গতকাল শুক্রবার এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সিইসি এএমএম নাসির উদ্দীন ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের নৈতিকতা, পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। একই সঙ্গে ‘বিতর্কিত ভোটের’ জন্য সাবেক দুই সিইসিকে কারাবন্দি ও জুতার মালা দেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগের বিষয়টিও তুলে ধরেন নির্বাচন কমিশনাররা। শুধু তাই নয়, এর আগে বিতর্কিত ভোট আয়োজনের খেসারত হিসেবে সাবেক সিইসিদের পরিণতি সম্পর্কে বর্তমান কমিশনকে বিভিন্ন সভা-সেমিনার বা আলোচনায় একাধিকবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। সর্বশেষ ইসলামী আন্দোলনের নেতারা সিইসি নাসির উদ্দীনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এসব কথা স্মরণ করিয়ে দেন। সিইসিকে তারা বলেছেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিতে পারলে নির্বাচন দিন। আর যদি আপনি মনে করেন, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে পারবেন না, তাহলে আপনি (নির্বাচনের) ঝুঁকি নেবেন না। কারণ, যদি আপনি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না দিতে পারেন, তাহলে বিগত নির্বাচন কমিশনের পরিণতি আপনাকে ভোগ করতে হবে। আপনার গলায় গামছা এবং কোমরে রশি লাগতে পারে।

নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে নানামুখী চ্যালেঞ্জ রয়েছে কমিশনের সামনে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে—ইসির ওপর আস্থা ফেরানো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার অনাস্থা ও সংকট নিরসন করা, ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি বাড়ানো এবং সর্বোপরি নির্বাচন পর্যবেক্ষকসহ দেশ-বিদেশে নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে তুলে ধরা। পাশাপাশি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নিরপেক্ষ ও সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করা, নির্বাচনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপপ্রয়োগ, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের পক্ষপাতমুক্ত রাখা এবং ভোটকেন্দ্র স্থাপনাও অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া প্রথমবার বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিকে ভোটাধিকারের সুযোগ দেওয়াটাও একধরনের চ্যালেঞ্জ মনে করা হচ্ছে। রয়েছে প্রথমবারের মতো কারাবন্দিদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের বিষয়টিও।

ইসির একাধিক কর্মকর্তা কালবেলাকে জানান, জুলাই সনদসহ নির্বাচন ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটা কাছাকাছি অবস্থান না থাকলে নির্বাচনে সহিংসতা বাড়বে।

দেশ-বিদেশে ওই অর্থে নির্বাচনও গ্রহণযোগ্য পাবে না। তারা জানান, নির্বাচনের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ নিয়ে ইসির কর্মকর্তারা এরই মধ্যে একাধিক বৈঠক করেছেন। সেখানে বেশকিছু বিষয় উঠে এসেছে। এসব বিষয় প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারে এআইর ব্যবহার নিষিদ্ধ, আগেভাগেই খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ, আরপিওতে কিছু সংশোধনী যুক্ত করা ও রোডম্যাপে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের ওপর জোর দেওয়াসহ বেশকিছু বিষয় যুক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে ইসির ওপর আস্থা ফেরানো, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির মতো কাজে এখনো হাত দেয়নি কমিশন। শুধু ভোটের প্রস্তুতিমূলক কাজের দিকেই বেশি জোর দিচ্ছে ইসি। তার অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে কমিশন। তবে সেখানে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপসহ বেশকিছু বিষয়ের সময়সীমার কথা তুলে ধরা হয়েছে।

ইসির কর্মকর্তারা বলছেন, বিগত আমলে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনকেও দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার চেষ্টা করা হয়েছে। কমিশন এবং কমিশনের কর্মকর্তাদের কথাবার্তা ও কর্মকাণ্ডে দলীয় মনোবৃত্তি বারবার ফুটে ওঠে। সেজন্য বর্তমান কমিশনকে কোনো দলের মুখপাত্র বা এজেন্ডা বাস্তবায়নের অস্ত্র না হয়ে নিজেদের শপথে অটল থেকে কমিশনকে

নির্দলীয়-নিরপেক্ষ হিসেবে রেফারির ভূমিকায় নেওয়া বেশ বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা একটি নির্বাচনের মাইলফলক। তবে রাজনৈতিক দলগুলো এ রোডম্যাপকে নানাভাবে মূল্যায়ন করেছে। বিএনপিসহ বেশিরভাগ দল এ রোডম্যাপকে স্বাগত জানিয়ে নির্বাচনের পথে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখলেও জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিসহ বেশ কিছু দল এ রোডম্যাপের সমালোচনা করেছে। জামায়াত পিআর পদ্ধতির কথা মাথায় রেখে আরেকটি রোডম্যাপ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। আর রোডম্যাপের মাধ্যমে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে এনসিপি। দলগুলোর এমন বিভক্তি বিদ্যমান রেখে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে কমিশনের সামনে। তবে রোডম্যাপে ঘোষিত সময় অনুযায়ী সেপ্টেম্বরের শেষার্ধে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অনুষ্ঠিতব্য সংলাপে এ জটিলতা নিরসন হয়ে দলগুলো কাছাকাছি অবস্থানে আসবে বলে আশাবাদী নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্পর্কে ইসির একাধিক কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচন কমিশন ভোটের প্রস্তুতিমূলক কাজে বেশি মনোযোগী। এ ছাড়া নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা হয়ে গেছে। রোডম্যাপে ঘোষণা অনুযায়ী সময়সীমার মধ্যে কাজগুলো সমাপ্ত করাই হবে কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তাদের মতে, এ মুহূর্তে সীমানা নির্ধারণ, নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন এবং পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো যেন বিতর্কিত না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখা হচ্ছে। ইসি এরই মধ্যে নীতিমালা সংশোধন করে ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা তৈরি করছে। গতকাল থেকে নির্বাচনী প্রশিক্ষণও শুরু হয়েছে। এভাবেই নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে কমিশন।

জানতে চাইলে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার কালবেলাকে বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন করা শুধু ইসির নয়, সরকারের জন্যও চ্যালেঞ্জ। তার মতে, রাজনৈতিক দলগুলোর অনৈক্যের সুযোগ নিতে পারে সুযোগসন্ধানীরা। তার আশঙ্কা, জুলাই সনদ সই না হলে নির্বাচনে অনিশ্চয়তাও তৈরি হতে পারে, যা নির্বাচন আয়োজন অনিশ্চিত করে দিতে পারে। আর ওই অনিশ্চয়তা থেকে বড় ধরনের সংকটও তৈরি হতে পারে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো এখনো পুরোনো পথে হাঁটতে চায়। পুরোনো পথে হেঁটে নতুন গন্তব্যে পৌঁছা কোনোদিন সম্ভব নয়। সেজন্য রাজনৈতিক দলগুলো যদি সমাধান বা ঐকমত্যে না আসতে পারে, সেটি হবে দুর্ভাগ্যজনক। এমনটা হলে অতীতের মতো দলগুলোর সঙ্গে দেশ এবং দেশের জনগণকেও মাশুল দিতে হবে।

নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও ইসি সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. আব্দুল আলীম বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের নির্বাচনকেন্দ্রিক চলমান কাজ আগে থেকেই করে যাচ্ছিল। নতুন বিষয় হচ্ছে এসব কাজের সময়সীমা নির্ধারণ করা। রোডম্যাপে সেটাই করা হয়েছে। এটা নির্বাচন কমিশনের এক ধরনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নির্দেশ করেছে। তবে এখন পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন নিয়ে নানা শঙ্কার কথা শোনা যায়। পিআর ইস্যু, উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে সন্দেহের কথা জানাচ্ছেন কেউ কেউ। তবে আমার মনে হয়, সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। কারণ, নির্বাচনের ব্যাপারে সরকারের পাশাপাশি কমিশনও বেশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।

জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ কালবেলাকে বলেন, আমরা নির্বাচনের আয়োজন করব; কিন্তু ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসাই বড় চ্যালেঞ্জ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, কমিশনের প্রধান দায়িত্ব একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা। এর বিকল্প কোনো পথ নেই। জীবন চলে যেতে পারে; কিন্তু নির্বাচনে ফাঁকিবাজি, ধোঁকাবাজি করা যাবে না। এ বিষয়ে কমিশন ও মাঠপর্যায়ের সবাইকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। কারণ, ভালো নির্বাচন ছাড়া আমাদের সামনে দ্বিতীয় কোনো বিকল্প নেই।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
themesba-lates1749691102